Saturday, 31 October 2020

One Of The Best Online Shopping Website theshopinfo.com

theshopinfo.com
Welcome to our The Shop Info website. This website is a small platform for buying the best in the world.theshopinfo .com is an e-commerce. From here you can order the product of your choice online. Our Facebook page: facebook.com/theshopinfo
Contact our support team in case of any need: M.Me/theshopinfo
There are some detailed links in the message above. To find out more subscribe to The Shop Info's official channel youtube.com/theshopinfo

The Shop Info Official Social Link

 Facebook page: facebook.com/theshopinfo

Join the group to buy / sell the product of your choice: facebook.com/groups/theshopinfo

Contact The Shop In Support team members to get help on any topic: m.me/theshopinfo

Subscribe to the official YouTube channel to learn more: youtube.com/theshopinfo

Instagram: https://www.instagram.com/theshopinfo/

Twitter: https://twitter.com/theshopinfo

Linkein: http://www.linkedin.com/in/theshopinfo


Shop your favorite now from theshopinfo.com. ❤

Sunday, 30 August 2020

একটা ভিখারী মেয়ের গল্প।



ভাইজান এটটা টেকা দিবেন? সেই সকাল থেকে কিচ্চু খাইনি...

- এই কি হলো দাঁড়ালে কেন?

- কত্ত ছোট মেয়েটা। কিভাবে হাত পেতেছে। না দিয়ে কিভাবে যাই।

- আরে ধুর এরা সব নেশাখোর। তুমি টাকা দিবা আর এই টাকা নিয়ে নেশা করবে।

-উফ... বাজে কথা বন্ধ করোত।

মানিব্যাগ বের করে ৫০ টাকার একটা নোট নিলো নীল ।

ছোট মেয়েটা টাকা টা হাতে নিয়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ় দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো নীলের দিকে।

নীল এর পাশে ওর গার্লফ্রেন্ড নীলা ঝাঝালো কন্ঠে চেঁচিয়ে বললো

- কি রে টাকা পেয়েছিস। এখন হা করে কি দেখিস?

যেন টাকা টা দেওয়াতে নীলার সমস্ত শরীর জ্বলছে।

ছোট মেয়েটা ভয়ভয় কণ্ঠে বললো

-ভাইজান আমার কেছে তো ভেঙা টেকা নেই।

নীল একটু অবাক হলো। সামান্য ভ্রুকুঞ্চন করে বললো

- কেন? খুচরা টাকা কেন লাগবে তোমার?

- ভেঙা টেকা না থাকলে আপনারে চল্লিশ টেকা ফিরায়ে দেবো কি করে।

নীলের মুখে একটা শান্তির হাসি দেখাদিলো।

মানুষ হয়তো ওকে সর্বচ্চ দশটাকার বেশি দেয় না।

মেয়েটার প্রতি নীলের এই হাসি দেখে নীলার জ্বলন্ত শরীরে অগ্নুৎপাত হলো।

তার লাভা ছিটিয়ে দিয়ে নীলা বলে উঠলো

- এতটুকু মেয়ে দেখো আবার টাকার হিসাব ও জানে।

নীল বিরক্তি নিয়ে উত্তর দিলো

- কেন? ওর মত বয়সে তুমি মনেহয় টাকার হিসাব জানতে না।

- দেখো নীল। এই সব রাস্তার মেয়ের সামনে আমাকে অপমান করবানা খবরদার।

- তো কি বড়লোকের মেয়ের সামনে তোমায় অপমান করা উচিৎ বা তুমি খুশি হতে।

- নীল তোমার এই স্বভাবের কারণেই তোমাকে এত অসহ্য লাগে। তুমি মানুষ কে সম্মান দিতে জানো না বুঝলে?

- হ্যা জানি না। অবুঝ বড়লোকেদের আমি সম্মান দিতে জানি না।

- তুমি সামান্য এই রাস্তার মেয়ের জন্য এভাবে অপমান করলে নীল? দুটাকার সস্তা মেয়ে তোমার কাছে এত বড় হয়ে গেলো।

সাথে সাথে নীলের মাথা ঝাইঝাই করে উঠলো। রাগে চোখমুখ লালচে হয়ে গেলো।

- চুপ। আর একটা ছোটলোকি কথা বলবে না তুমি। এতটুকু মেয়ে ভিক্ষা করছে দেখে তোমার মেয়া লাগে না?

- না লাগে না। যত্তসব

এই বলে নীলা নীল কে ছেড়ে হনফন করে চলেগেলো।

কিন্তু নীল তাকে একবার ও আটকালো না। শুধু একটানা নীলার দিকে তাকিয়ে ওর চলেযাওয়া দেখলো।

নীলকে দেখে অনেক চিন্তিত মনে হচ্ছে।

- ভাইজান ভাবীজান রাগ করেছে। এই লন টেকা লাগবো না।

- আরে কেন কেন? টাকা টা তোমাকেই দিয়েছি। তোমার ভাবী একটু এমন। বাদ দাও।

সত্যি কি আজ সকালে খাওনি?

- না ভাইজান। মা কইছে পার্কে গিয়ে যে টেকা হবে সেইটা দিয়ে খাইতে।

- আর কেউ টাকা না দিলে?

- টেকা না হলে হাওয়া হয়না।

- কি? খাওয়া হয় না? এত টুকু মেয়ে না খেয়ে থাকতে পারো কিভাবে?

হয়ত মেয়েটা কি বলবে বুঝেউঠতে না পেরে চুপ করে নীলের দিকে তাকিয়ে রইলো।

মেয়েটার চকচকে ক্ষুধার্ত চোখ পড়েফেলতে নীলের খুব দেরী হলো না।

আজ নীল আর নীলার ক্যাফেতে গিয়ে খাওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু নীলা তো তেজ দেখিয়ে চলে গেলো।

পকেটে হাত দিয়ে মানিব্যাগ বের করে দেখে এক হাজার টাকার দুইটা নোট এক কোনে পড়ে আছে। দেখে নীলের মমতা মাখা চোখ খুশিতে আরো উজ্জ্বল হয়ে গেলো।

মেয়েটার দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি দিয়ে নীল জিজ্ঞেস করলো

-তোমার নাম কি

সম্পূর্ণ গল্পটি পড়তে লিন্কে কিল্ক করুন: https://wonderfulstoryandletter.blogspot.com/2019/07/blog-post_78.html

গুন্ডী মেয়ের ভালবাসা সম্পূর্ণ পর্ব: https://wonderfulstoryandletter.blogspot.com/2019/07/blog-post_21.html

মধ্যবিত্তের প্রেমঃ
https://wonderfulstoryandletter.blogspot.com/2019/03/blog-post_61.html

Friday, 28 August 2020

একবার এক জাহাজের ইঞ্জিন অন হচ্ছিল না


একবার এক জাহাজের ইঞ্জিন অন হচ্ছিল না, জাহাজের মালিক অনেক ইন্জিনিয়ার কে দেখিয়েছেন কিন্তু কেউ তা ঠিক করতে পারে নাই।

তাই তিনি ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার

এনেছেন।

তিনি খুব সাবধানে ইন্জিন পরিদর্শন করেন, উপর থেকে নিচে।

কিছু দেখার পর লোকটি তার ব্যাগ থেকে একটি ছোট হাতুড়ি বের করলো।

তিনি হাতুড়ি দিয়ে আলতো করে একটা আঘাত করলেন সাথে সাথে ইন্জিন চালু হয়ে গেল।

৭ দিন পর ইন্জিনিয়ার তার বিল হিসেবে চাইলেন ১০,০০০ ডলার !

জাহাজের মালিক বললো আপনি তো এখানে তেমন কিছুই করেননাই এতো বিল অসলো কেমনে...?

তারপর ইন্জিনিয়ার বললেন হাতুড়ি দিয়ে বাড়ি মারার বিল ২ ডলার কিন্তু কোন জায়গায় মারতে হবে ওইটা জন্য ৯৯৯৮ ডলার।



সারমর্ম: আমরা অনেক সময় অনেক বড় ধরনের যান্ত্রিক প্রবলেমের জন্য সামান্য কাজকে মূল্যায়ন দেইনা। এই সামান্য কাজটার অভিজ্ঞতা অনেক সেটা কেউ বোঝেনা।

এমন কি গল্প যা আপনার জীবন বদলে দিতে পারে?💎 গল্পের লিন্কঃ https://wonderfulstoryandletter.blogspot.com/2020/07/blog-post_43.html

অতি চালাক ভালো নয় গল্পের লিন্কঃ
https://wonderfulstoryandletter.blogspot.com/2020/07/blog-post_88.html

#অধিকার_নেই গল্পের সব পার্ট
অধিকার নেই পার্ট:01
https://wonderfulstoryandletter.blogspot.com/2020/07/01.html
অধিকার নেই পার্ট:02
https://wonderfulstoryandletter.blogspot.com/2020/07/02.html
অধিকার নেই পার্ট,03
https://wonderfulstoryandletter.blogspot.com/2020/07/03.html
অধিকার নেই পার্ট,04
https://wonderfulstoryandletter.blogspot.com/2020/07/04.html
অধিকার নেই পার্ট,05
https://wonderfulstoryandletter.blogspot.com/2020/07/05.html
অধিকার নেই পার্ট,06
https://wonderfulstoryandletter.blogspot.com/2020/07/06.html
অধিকার নেই পার্ট,07(সমাপ্তি)
https://wonderfulstoryandletter.blogspot.com/2020/07/07.html